নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করলেন মেয়র

0

পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ সামাজিকভাবে হেয় ও অপমান করার শঙ্কায় নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভার মেয়র মো. এমরান উদ্দিন জুয়েল।

রবিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকালে কসবা থানায় তিনি এ সাধারণ ডায়রি করেন।

এতে উল্লেখ করা হয়, শনিবার মেয়র নিজ বাড়িতে অবস্থানকালে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পারেন কসবার তিনলাখ পীর এলাকার বাছির মিয়া ও তার পরিবারের লোকজনকে মেয়র মারধর করেছেন বলে তারা সাংবাদিককের কাছে অভিযোগ করেছেন। কিন্তু এ ধরণের বিষয় মিথ্যা ও কাল্পনিক। মেয়র নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো. রংগু মিয়া জানান, ‘পূর্ব বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। কিন্তু মেয়র এসে কাউকে মারধর করেছেন এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়।’

কসবা উপজেলা পরষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন বলেন, ‘শনিবার দিনভর মেয়রসহ আমরা অনেকে এলাকার বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। এক বৃদ্ধ ও তার পরিবারের লোকজনকে মারধরের যে কথা বলা হচ্ছে সেটি ডাহা মিথ্যা। মূলত দুই পরিবারের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জের ধরে কথা কাটাকাটি হয়েছে। পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে অপপ্রচারের অংশ হিসেবে ওই পরিবারটিকে দিয়ে এসব কথা বলানো হচ্ছে।’

পৌর মেয়র এমরান উদ্দিন বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ করে বলছি যে এ ধরনের কোনও ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। সাংবাদিকরা আমার কাছে ফোন করে জানতে চায় বাছির মিয়া নামে এক বৃদ্ধ নাকি অভিযোগ করেছে আমি তাকে মারধর করেছি। মূলত পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে কাল্পনিক কথাবার্তা বলে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বলেন, ‘খবর নিয়ে জানতে পারি দুটি পরিবারের মধ্যে বেশ কিছু মামলা চলমান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। মারধর করার মতো সিরিয়াস কিছু হয়নি। মেয়র মারধর করেছে এমন কোনও অভিযোগও আমাদের কাছে আসেনি। মেয়র এ বিষয়ে থানায় জিডি করেছেন বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল শনিবার তিনলাখ পীর এলাকার বৃদ্ধ বাছির মিয়া ও তার পরিবারকে দলবল নিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠে। বাছির মিয়ার অভিযোগ, মেয়রসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ মামলা করায় সেটি তুলতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। মামলা তুলতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর হামলা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাছির মিয়া সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন।


Warning: A non-numeric value encountered in /home/presvdfgsbd24/public_html/bangla/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 1009

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here