
দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে ৩২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নাইজেরিয়ার বিমান চলাচল ও মহাকাশ উন্নয়নমন্ত্রী ফেস্টাস কিয়ামোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উড়োজাহাজটি বেনিন সিটি থেকে লাগোসের উদ্দেশে নিয়মিত মিশনে ছিল। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে উড়োজাহাজটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। পরে ওন্দো রাজ্যের ইগবোকোদার একটি নৌঘাঁটির কাছে উড়োজাহাজটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া যায়।
নাইজেরিয়ান এয়ার ফোর্স (এনএএফ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত উড়োজাহাজটি ছিল এটিআর-৪২।
দুর্ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়।
প্রেসিডেন্ট বোলা তিনুবুর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার কারণ জানতে নাইজেরিয়ান এয়ার ফোর্সকে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।
ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
দুর্ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, উড়োজাহাজটি একটি নদীর কাছে বিধ্বস্ত হয় এবং ধ্বংসাবশেষের কিছু অংশ পানিতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা আকিনবুলেজো পিউস বলেন, উড়োজাহাজটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে তিনি বজ্রপাতের মতো শব্দ শুনেছিলেন। পরে ঘটনাস্থলে দেহের বিভিন্ন অংশ, পোশাক ও জুতা পড়ে থাকতে দেখেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নাইজেরিয়ায় ঘটে যাওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনাগুলোর একটি এটি।
