সীতাকুণ্ডে প্রকাশ্যে গুলি করে তারেক হোসেন বাপ্পি হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি মো. আরিফ হোসেনসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি এলজি, একটি রিভলভার ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার রাসেল।
তিনি জানান, ১৬ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে সীতাকুণ্ডে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাপসির আলম শাওন নামে আরও একজন গুলিতে গুরুতর আহত হন। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রধান আসামি মো. আরিফ হোসেন (২৯), ফখরুল ইসলাম (৩২), আব্দুল মান্নান (২৮), মো. ইফতেখার (৩৫), আরিফুল ইসলাম জাবেদ (২৫) ও নুর আহাম্মদ রনিকে আটক করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ও মুরাদপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি এলজি, একটি রিভলভার ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গত ১৬ অক্টোবর রাতে খাবার খেয়ে বন্ধু ইমনকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন বাপ্পি। এ সময় আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আগে থেকে অবস্থান করা অভিযুক্তরা তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। পরে বাপ্পি ও তার বন্ধুকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত আরিফ হোসেন বাপ্পিকে লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করেন। অন্য অভিযুক্তরাও তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন।
এ সময় ইমন কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পরে বাপ্পির বুকে গুলি করা হয়। অপর একজনও তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
গুলির শব্দ শুনে বাপ্পিকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন তাপসির আলম শাওন। এ সময় তাকেও লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। দুইজন গুরুতর আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকলে হামলাকারীরা তাদের ওপর আরও আঘাত করেন। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে তারা পালিয়ে যান।

