বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে মির্জা ফখরুলের সরকারি বাসায় ঢুকে দেখা গেছে, ঠাকুরগাঁওয়ের লোকজনের ব্যাপক ভিড়। তার নির্বাচনি এলাকার পাশাপাশি পুরো জেলা, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য এলাকা থেকেও লোকজন এসেছেন। অনেকের হাতে সুপারিশের জন্য আনা কাগজপত্র।
দেখা গেছে, এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার স্বাক্ষর নিয়ে একে একে যারা সুপারিশের জন্য এসেছেন, তাদের ডেকে ডেকে হাতে কাগজ তুলে দিচ্ছেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম এসেছেন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ার ফি কমানোর সুপারিশের জন্য।
তিনি বলেন, ‘এই বয়সে এসে একটু পড়ালেখা করতেছি ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টরে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক খরচ। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বলছে, বড় কারও সুপারিশ থাকলে ছাড় দেবে। আজকে স্যার সুপারিশ করেছেন। জমা দিয়ে দেখি, ২০% হলেও তো ছাড় পাবো।’
আগত লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর আর এত কাছ থেকে মির্জা ফখরুলকে পাবেন না তারা। নিরাপত্তা কড়াকড়ির কারণে নিজেদের দাবি-দাওয়া, সমস্যার কথাও কাছ থেকে জানাতে পারবেন না। তাই শেষ দিনে সবাই নিজ নিজ প্রয়োজনে এসেছেন।
একজনকে বলতে শোনা যায়, রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর আর এখানে আসা যাবে না। কাছে যাওয়া তো দূরে থাক। রাষ্ট্রপতির সিকিউরিটি তো সবার চেয়ে কড়া।
বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায়ই জানা যাবে, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন। সেই নামটি যে মির্জা ফখরুল, তা সুনিশ্চিত। শুধু ভোটের আনুষ্ঠানিকতা বাকি। এরপর শুক্রবার শপথ নিবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।
