তিনি জানান, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে ৫ হাজার ৪০০ টিরও বেশি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে।
জাতিসংঘ মানবিক সংস্থার প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার গভীর রাতে পূর্ব আফগানিস্তানে আঘাত হানা ছয় মাত্রার এই ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের সবচেয়ে কাছে অবস্থিত পাহাড়ি কুনার প্রদেশে। দুর্গম এবং পাহাড়ি এলাকাটিতে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এসব এলাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা।
কুনার প্রদেশের দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের প্রধান এহসানউল্লাহ এহসান বার্তাসংস্থা এএফপিকে বলেন, “এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪০০ জনের বেশি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। কারণ ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কত মরদেহ আটকে আছে— আমরা এখনও জানি না।”
দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকর্মীরা সাধ্যমত সর্বোচ্চ গতিতে তৎপরতা চালাচ্ছেন উল্লেখ করে এহসান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য যত শিগগির সম্ভব উদ্ধার তৎপরতা শেষ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে খাদ্য ও ত্রাণের বিতারণ শুরু করা।”
কুনারের আসাদাবাদ এলাকার প্রাদেশিক হাসপাতালে কর্মরত একজন চিকিৎসক বলেন, ‘হাজার হাজার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন। আমাদের তাঁবু দরকার। আমাদের ওষুধ দরকার। রেড ক্রস সহায়তা দিচ্ছে, কিন্তু আমাদের আরও সাহায্যের প্রয়োজন।’
তিনি বলেন, ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার এই বাসিন্দা জানান, তার ছোট হাসপাতালেই ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কিছু দেশ এই দুর্যোগ পরিস্থিতিতে ত্রাণ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও, ‘এখনও পর্যন্ত আমরা কিছুই পাইনি’।
