
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সংঘর্ষের পর থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত আহত অবস্থায় এসব নেতাকর্মী চিকিৎসা নেন।
এদিকে জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।
এ ঘটনায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনায় আহত হয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। কিন্তু তাদের কারও শরীরে গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি বলে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে ওসমান হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল ইনকিলাব মঞ্চ। কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশ আগে থেকেই ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ব্যারিকেড বসায়।
