
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ক্যাম্প-১ (ওয়েস্ট) সংলগ্ন একটি চায়ের দোকান থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের সময় লালুর কাছ থেকে ১টি ফাইভ স্টার পিস্তল এবং দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, লালু দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ভয়ভীতি, অপহরণ, চাঁদাবাজি, অস্ত্র ব্যবসা ও অভ্যন্তরীণ আধিপত্য বিস্তারের মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। আরসার একজন সক্রিয় কমান্ডার হিসেবে তিনি ক্যাম্পের বিভিন্ন ব্লকে অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করতো।
সূত্রে আরও জানা যায়, আরসার সাবেক প্রধান আতাউল্লাহ জুনুনির নেতৃত্বে সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ড, সহিংসতা ও অস্ত্রের চালানে লালুর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার প্রমাণ রয়েছে।
এসব ঘটনায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বিচারাধীন ছিল।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাষ্ট্রবিরোধী নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে লালু পুনরায় সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছিল।
ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধী গ্রুপগুলোকে সক্রিয় করতে তিনি নিয়মিত গোপন বৈঠক ও যোগাযোগ করছিলেন।
গ্রেপ্তার লালুকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নুর আহমদ জানান, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। একই সঙ্গে তার সহযোগী, অস্ত্র সরবরাহকারী এবং আরসার সক্রিয় সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।