
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) বৈঠকে থানা স্থাপনের বিষয়টি অনুমদোন হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে ২০২০ সালে কক্সবাজার সদর উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন জালালাবাদ, ইসলামাবাদ, ঈদগাঁও, ইসলামপুর ও পোকখালী ইউনিয়ন নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘ঈদগাঁও’ থানা।
এই ‘বিশেষ’ থানার প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে থাকবে:
নামে সাধারণ থানা হলেও এর কাজের ধরণ যে ভিন্ন হবে, তা স্পষ্ট। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মাতারবাড়ী থানা কেবল চিরাচরিত অপরাধ দমনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এর প্রধান দায়িত্বগুলোর মধ্যে থাকবে:
১. মেগা প্রকল্পের নিরাপত্তা: বিদ্যুৎ কেন্দ্র, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এর প্রধান কাজ। যেকোনো ধরনের অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা রোধে এই থানা একটি গোয়েন্দা হাব হিসেবেও কাজ করতে পারে।
২. শিল্প ও বাণিজ্যিক অপরাধ দমন: বন্দরের কার্যক্রম শুরু হলে চোরাচালান, বাণিজ্যিক প্রতারণা এবং শিল্পাঞ্চলে নানা ধরনের অপরাধ দমনের জন্য এই থানার বিশেষায়িত ভূমিকার প্রয়োজন হবে।
৩. বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ: বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং প্রকৌশলীদের নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করা এই থানার অন্যতম দায়িত্ব হবে।
আইনশৃঙ্খলার সামান্য অবনতিও জাতীয় ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে, যা বিবেচনায় রাখা হয়েছে।
