pressbd24
ঢাকামঙ্গলবার , ১০ মার্চ ২০২৬
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কৃষি ও পরিবেশ
  9. খেলাধুলা
  10. চট্রগ্রাম প্রতিদিন
  11. জবস
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দেশ ও জনপদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গ্রেপ্তার ২২ : অস্ত্র উদ্ধার, সিসিটিভি টাওয়ার!

অনলাইন ডেস্ক
মার্চ ১০, ২০২৬ ৯:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার : সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অভিযানের সময় সন্ত্রাসীদের স্থাপন করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের সিসিটিভি ক্যামেরা ও নজরদারি টাওয়ারও ধ্বংস করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নগরের খুলশীস্থ নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘সোমবার পরিচালিত এ অভিযানে মোট ৩ হাজার ১৭৩ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অংশ নেন। এরমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রায় ৫০০ জন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের প্রায় ১৫০ জন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রায় ৮০০ জন, রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সের প্রায় ৪০০ জন, পার্বত্য জেলা থেকে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রায় ১৫০ জন এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) প্রায় ৪০০ জন সদস্য ছিলেন। এছাড়া জেলা প্রশাসনের সাতজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।’

অভিযান প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানে তিনটি হেলিকপ্টার, ১৫টি আর্মড পার্সোনাল ক্যারিয়ার (এপিসি), সিএমপি ও র‍্যাবের তিনটি ডগ স্কোয়াড এবং ১২টি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশেষ কৌশল ব্যবহার করে জঙ্গল সলিমপুরের বিভিন্ন পাহাড়ি ও দুর্গম স্থানে একযোগে চিরুনি অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন আস্তানা, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি, পাহাড়ি পথ, গোপন স্থাপনা ও সম্ভাব্য অপরাধীদের অবস্থানস্থলে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় অভিযান চালিয়ে ২২ জনকে আটক করা হয়েছে।’

অভিযানে মোট তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি দেশীয় পিস্তল, একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি এলজি রয়েছে।

এছাড়া ২৭টি দেশীয় তৈরি পাইপগান, তিনটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, অস্ত্র তৈরির ২৭টি পাইপ, ৬১টি কার্তুজ এবং বিভিন্ন ধরনের প্রায় ১ হাজার ১১৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া ১১টি ককটেল, ১৮টি হেক্সোব্লেড এবং হাতুড়ি, প্লাস, রেঞ্চ, ড্রিল মেশিনসহ অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ বলেন, ‘অভিযানের সময় পাহাড়ি এলাকায় সন্ত্রাসীদের স্থাপন করা বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরা ও পর্যবেক্ষণ টাওয়ার শনাক্ত করা হয়। এসব স্থাপনার মাধ্যমে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করত। অভিযানের সময় এসব নজরদারি ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। তবে অভিযানে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি এবং বর্তমানে পুরো এলাকাটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।‘

ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ আরও বলেন, ‘আমরা যদিও উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যক্তিকে পাইনি। তবে এলাকায় আমাদের ডমিনেশন প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি। ভবিষ্যতে সেখানে অপরাধীদের লুকিয়ে থাকার সুযোগ থাকবে না।’ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘নিয়মিত অভিযান, চেকপোস্ট ও টহলের মাধ্যমে পুরো এলাকাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে এবং প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে ক্যাম্পের সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম পরিচালনায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। এলাকায় কিছু সুবিধাভোগী ব্যক্তি ও ভূমিদস্যুদের মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা সহায়তা পেত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। সেখানে যারা বসবাস করছেন তাদের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে এবং প্রয়োজন হলে পুনর্বাসনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।