
সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান এসআরবি-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি জানান, এসআরবি-৭ ও নারায়ণগঞ্জের এসআরবি-১১ যৌথভাবে ১ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার ঠাকুরপাড়া এলাকা থেকে জীবনের হত্যা মামলার ৫ নম্বর আসামি মো. আরমানকে (২৫) আটক করে। তিনি বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার বর্মা কলোনির মো. ইসমাইলের ছেলে।
অন্যদিকে, এসআরবি-৭ ও ঢাকার এসআরবি-১ যৌথভাবে ২ নভেম্বর রাত ২টা ১০ মিনিটে ঢাকার ভাটারা এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি জিল্লুর রহমান জুয়েলকে (৪০) আটক করে। তিনি চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামীর কুঞ্জছায়া এলাকার আবদুল সাত্তারের ছেলে।
একই দিনে এসআরবি-৭ আরেকটি দল দুপুর ১টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রামের চান্দগাঁও এলাকায় আরাকান সড়কের চান্দগাঁও হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে থেকে আলম পাইককে (৩৫) গ্রেপ্তার করে। তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলার হরিকানার মো. খলিল পাইকের ছেলে।
চান্দগাঁও থানার ২৬ অক্টোবরের ৩৮ নম্বর হত্যা মামলায় তিনি আসামি। চুরির সন্দেহে গণপিটুনিতে মো. হাসান নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলাটি করা হয়।
এসআরবির তথ্য অনুযায়ী, নিহত আবু ইউসুফ ওরফে জীবন (২৭) চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের মোহাম্মদ গোলাম নবীর ছেলে। তিনি বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় থাকতেন এবং শেরশাহ এলাকায় একটি আইসক্রিম কারখানায় দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন।
গত ২৭ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামীর কুঞ্জছায়া আবাসিক এলাকায় জীবনের ওপর হামলা হয়। এ ঘটনায় জিল্লুর রহমান জুয়েল ও তার সহযোগীরা লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচ থেকে গোড়ালি পর্যন্ত গুরুতর জখম হয়।
স্থানীয়রা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৯ অক্টোবর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের মা ২৮ অক্টোবর বায়েজিদ বোস্তামী থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে মামলায় হত্যা ধারা যুক্ত করা হয়।
এসআরবি-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তার তিন আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।