স্টাফ রিপোর্টার : দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং অবৈধ মজুদদারদের দমন করতে তথ্যদাতাদের জন্য আর্থিক পুরস্কার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)।
চোরাই বা গোপনে মজুদ করা জ্বালানির সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে মজুদের পরিমাণ অনুযায়ী সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিপিসি চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ উদ্যোগের কথা জানানো হয়।
বিপিসি বলছে, জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধেই এই পুরস্কার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়, মজুদের পরিমাণ অনুযায়ী পুরস্কারের হার ধাপে ধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুইশ থেকে এক হাজার লিটার পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মজুদের তথ্য দিলে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে ১০ হাজার টাকা।
এক হাজার এক থেকে আড়াই হাজার লিটার পর্যন্ত হলে ২৫ হাজার টাকা, ২ হাজার ৫০১ থেকে ৫ হাজার লিটার পর্যন্ত হলে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। আর ৫ হাজার লিটারের বেশি মজুদের তথ্য দিলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পুরস্কার পাবেন তথ্যদাতা।
বিপিসি জানিয়েছে, তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চেকের মাধ্যমে পুরস্কারের অর্থ প্রদান করা হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বৈশ্বিক বাজারে অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত লাভের আশায় তেল মজুদ করছেন। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠ প্রশাসনের সহায়তায় তথ্যদাতা পুরস্কার চালু করেছে বিপিসি।
জানা যায়, পুরস্কারের অর্থ বিপিসির তিন বিপণন কোম্পানি—পদ্মা অয়েল কোম্পানি, যমুনা অয়েল কোম্পানি ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম—সমহারে বহন করবে।