স্টাফ রিপোর্টার : আগামী মাসেই মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসর।
২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে টুর্নামেন্ট। এর আগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নিলাম। পছন্দের ক্রিকেটারদের নিয়ে দল সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। তবে নিলামে প্রথমে অবিক্রীত ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
আজ নিলামের শুরুতেই চড়া দামে বিক্রি হয়েছেন নাইম শেখ। নিলামের শুরুতেই ছিলেন এ ক্যাটাগরির নাইম শেখ। তার দাম শুরু হয় ৫০ লাখ টাকায়। এই ওপেনারকে দলে নিতে নিলাম যুদ্ধে নেমেছিল সিলেট স্ট্রাইকার্স, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালস। ফলে ৫ লাখ করে বাড়তে থাকে দাম।
এক পর্যায়ে নাইমের দাম ১ কোটি পেরিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকা দাম ওঠে তার। এরপর আর সিলেট বিড না করায় শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রামই পায় তাঁকে।
এদিকে সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের বর্তমান অধিনায়ক লিটন দাস বিক্রি হয়েছেন ৭৫ লাখ টাকায়। তাঁকে দলে নিয়েছে রংপুর রাইডার্স।
এই দুইজনের পর নিলামে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে তোলা হয়েছিল মাহমুদউল্লাহর নাম। কিন্তু তাঁকে কিনতে আগ্রহ দেখায়নি ৬ ফ্র্যাঞ্চাইজির কেউ। মাহমুদউল্লাহর পরই ছিলেন মুশফিক।
মাহমুদউল্লাহর মত মুশফিকের ভিত্তিমূল্যও ছিল ৩৫ লাখ টাকা। তবে তাকেও কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনতে আগ্রহ দেখায়নি। তবে অবিক্রিত ক্রিকেটারদের পরে আবার নিলামে তোলা হবে। এদিকে নিলামে প্রথমে অবিক্রীত থাকার পর ফেসবুক স্ট্যাটাসে মুশফিক লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।’
সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পর এবার অবশেষে দল পেলেন এ দুইজন।
প্রথমে অবিক্রীত থাকায় তাঁদের পরে নিলামে তোলা হয় ‘সি’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটার হিসেবে। আর তখন ৩৫ লাখ টাকা ভিত্তিমূল্যে মাহমুদউল্লাহকে কিনে নেয় রংপুর রাইডার্স। এরপর মুশফিককে ৩৫ লাখ টাকায় কিনে নেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

