নির্বাচনের পর উসকানি দেওয়া হচ্ছে- এমন দাবি করে বিএনপি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এ জন্য শত উসকানির মুখেও আমি সারাদেশে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের শান্ত এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। কোনো অপশক্তি যাতে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর সুযোগ নিতে না পারে।’
কোনো রকমের বেআইনি কর্মকাণ্ড ‘বরদাশত করা হবে না’ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘দলমত ধর্ম-বর্ণ কিংবা ভিন্নমত যা-ই হোক, কোনো অজুহাতেই দুর্বলের উপর সবলের আক্রমণ মেনে নেওয়া হবে না।’ দলের আন্তঃকোন্দলের বিষয়টিও ইঙ্গিত করেন তিনি।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘নির্বাচনে একে অপরের বিরুদ্ধে কিংবা একদল আরেক দলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে নির্বাচনের মাঠে হয়তো কোথাও কোথাও নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে। তবে এ ধরনের বিরোধ যেন প্রতিশোধ প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহবান জানাই।’
এদিনের সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং ইসলামী আন্দোলনসহ যেসব দল অংশ নিয়েছিল, সব দলকে অভিনন্দন এবং সাধুবাদ জানান তারেক রহমান।
অন্যদিকে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নির্বাচন কমিশনের সকল সদস্যদের প্রতি তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
