স্টাফ রিপোর্টার : ফেব্রুয়ারী এলেই বাঙালির হৃদয়ে নতুন করে ধ্বনিত হয়—‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।’
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাজপথে মাতৃভাষার দাবিতে জীবন উৎসর্গ করা শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাসজুড়ে নানা কর্মসূচি চলছে।
রাষ্ট্রভাষা বাংলার জন্য জীবন দান করা শহিদরা আজও বাঙালির অধিকার ও আত্মপরিচয়ের প্রতীক।
পুরো মাসজুড়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করছে দেশব্যাপী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তারিক মনজুর বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন পরবর্তী সব আন্দোলনকে প্রভাবিত করেছে। ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করেছে।’
অধ্যাপক মজিবুর রহমান জানান, রাজনৈতিক বয়ান গঠনে ভাষার ব্যবহার, স্লোগান ও যোগাযোগের ধরন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
একুশের চেতনা ভবিষ্যতের আন্দোলনেও দিকনির্ধারণ করবে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ৫২-এর আন্দোলনের মূল ছিল ভাষা নয়, আত্মপরিচয় ও স্বাধীনভাবে বাঁচার আকাঙ্ক্ষা, যা আজও অনেকাংশে অধরা।
স্বাধীনতা, অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রতিটি নতুন আন্দোলনে শহিদদের আত্মত্যাগ স্মৃতিপটে অমর হয়ে থাকবে।

