তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং তার সারাদিনের ভিক্ষায় প্রাপ্ত ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।
ঘটনাটি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশিকসহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ঘটনাটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে আশোকতলা জামে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডার ‘টোকাই সামির’কে শনাক্ত করা হয়।
বুধবার (৩ জুন) তাকে আটক করার পর বিষয়টি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু মহোদয়কে জানানো হলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এ সময় তিনি কুমিল্লা পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেন এবং কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। পরে আটক অভিযুক্তকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নগরীতে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
