স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র্যাব-৭।
এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম নগরের দিকে আনা হচ্ছে।
খবর পেয়ে র্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির গতিবিধি নজরদারিতে রাখে। পরে র্যাব সদস্যরা স্পিডবোট নিয়ে নদীর মাঝখানে গিয়ে বাল্কহেডে উঠে তল্লাশি চালান।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় বাল্কহেডটিতে অভিযান চালিয়ে র্যাব সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করেন।
পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন : মো. ইমরান (২১), মো. আনিস (২৯), মো. মনির হোসেন (৪৫), মো. আলী (৪৭) ও মো. রুবেল (২৭)।
আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অধিনায়ক জানান, বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বাল্কহেড নিয়ে বাঁশখালীর গণ্ডামারায় অবস্থিত এসএস পাওয়ার প্ল্যান্টের কাছাকাছি সমুদ্রে অবস্থান নেন আটক ব্যক্তিরা। পরে একটি স্পিডবোট এসে বাল্কহেডে একটি বস্তা দিয়ে যায়। পরে সেই বস্তা চট্টগ্রাম নগরে পৌঁছে দিতে পারলে প্রত্যেককে ১৫ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ছিল।
বাংলাবাজার এলাকার তৈমুর নামের এক ব্যক্তির নির্দেশে তারা এ কাজে যায়। তৈমুর তেলের ব্যবসায়ী এবং বাল্কহেডটির মালিক বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাব জানায়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

