স্টাফ রিপোর্টার : চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ালাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে নামেন।
এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতারা এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির নেতারা তাকে স্বাগত জানান।
বিমানবন্দর থেকে গাড়িবহর নিয়ে তিনি নগরের কাজির দেউরি এলাকায় অবস্থিত পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুর উদ্দেশে রওনা হন। পথে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানার নেতা-কর্মীরা সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে স্লোগানের মাধ্যমে তাকে অভিবাদন জানান। তারেক রহমান হাত নেড়ে শুভেচ্ছার জবাব দেন।
রেডিসন ব্লু হোটেলের সামনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের ভিড় দেখা গেছে বিএনপি চেয়ারম্যানকে একনজর দেখার জন্য।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ৯টার দিকে তিনি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির ৫৩ জন সদস্যের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
দলের প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম নগরীতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান সড়ক, মোড় ও অলিগলিতে ব্যানার-ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে বাড়তি আগ্রহ ও উদ্দীপনা।
মহাসমাবেশ উপলক্ষ্যে পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রস্তুত করা হয়েছে ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রস্থের একটি মঞ্চ।
আয়োজকদের দাবি, এই মঞ্চে একসঙ্গে প্রায় দেড় হাজার মানুষ বসতে পারবেন। মঞ্চের সামনে রাখা হয়েছে পাঁচ হাজারের বেশি চেয়ার।
এছাড়া মাঠ ও আশপাশের এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে দুই শতাধিক মাইক এবং ১০টি শক্তিশালী সাউন্ডবক্স।
পলোগ্রাউন্ড মাঠ থেকে কদমতলী ও টাইগারপাস পর্যন্ত এলাকায় বসানো হয়েছে প্রায় ২০০টি মাইক।
মহাসমাবেশ ঘিরে চট্টগ্রাম নগরীতে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। পুরো এলাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয়ে ভাগ করা হয়েছে— রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন।
মঞ্চকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে, যেখানে কেবল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন। মঞ্চের সামনের অংশ ইয়েলো জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিক ও নারীদের জন্য আলাদা ব্লক থাকবে। পুরো মাঠ গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এর আগে, সর্বশেষ ২০০৫ সালে দলীয় সফরে চট্টগ্রাম এসেছিলেন তারেক রহমান।

