pressbd24
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৮ আগস্ট ২০২৫
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কৃষি ও পরিবেশ
  9. খেলাধুলা
  10. চট্রগ্রাম প্রতিদিন
  11. জবস
  12. জাতীয়
  13. ট্যুরিজম
  14. তথ্য প্রযুক্তি
  15. দেশ ও জনপদ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গোবিন্দগঞ্জে খুঁটিতে বেঁধে এক দম্পতিকে মাথা ন্যাড়া করার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২৮, ২০২৫ ১০:১৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক : গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শিমু বেগম (২৫) ও তার সাবেক স্বামী মিলন মিয়া (৩০) কে খুঁটিতে বেঁধে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এমন একটি ভিডিও ফুটে বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত নির্যাতিত শিমু বেগমের খোঁজ পাচ্ছে না বলে স্বজনদের দাবি। এর গত মঙ্গলবার দুপুরের দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুরুজ সরকারপাড়া গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।

নির্যাতিত শিমু বেগম একই গ্রামের শাহারুল সরকার ও শরিফা বেগম দম্পতির মেয়ে।

শিমু বেগমের স্বজনরা জানায়, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বোচাদহ গ্রামে জসিম উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে শিমু বেগমের বিয়ে হয়। এরপর এক সন্তানের মা হলে শিমুকে তালাক দিয়েছে এ স্বামী। এরই একপর্যায়ে প্রায় ৮ মাস আগে রাখালবুরুজ সরকারপাড়া গ্রামের মিলন মিয়া প্রেমে ফেলে শিমুকে বিয়ে করেন। কিছুদিন পর মিলন মিয়া পারিবারিক চাপে শিমুকে তালাক দেয়। বাধ্য হয়ে শিমু বেগম টিচাগং ইপিজেড পোশাক কারখানায় চাকরি নেয়। সম্প্রতি ছুটিতে বাবার বাড়িতে অবস্থান করাকালে ফের মিলন মিয়া প্রেম-ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তোলে শিমুকে পুনরায় বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয়।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৬ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে শিমু বেগম কাপড়চোপড় কেনার জন্য গোবিন্দগঞ্জে আসেন। এই সুবাদে মিলন মিয়াও সেখানে আসেন। কিছুক্ষণ পর মিলন মিয়া ও শিমু বেগম গল্প করাকালে সরকারপাড়ার শাহারুল ইসলাম সরকার ও সাদা মিয়া সরকারসহ আরও কয়েকজন দলবদ্ধ হয়ে গোবিন্দগঞ্জ উত্তর বাসষ্ট্যান্ড থেকে শিমু ও মিলনকে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে আটক রেখে লাঠি ও লোহার রড দ্বারা উভয়কে বেধরক মারপিট করেছে। এরপর শিমু বেগম ও মিলন মিয়াকে বারান্দার সিমেন্টের খুঁটির সাথে রশি দিয়ে বেধে প্রকাশ্যে চুল কেটে শিমু বেগম ও মিলন মিয়ার মাথা ন্যাড়া করে দেয়।

এ তথ্য নিশ্চিত করে নির্যাতনের শিকার শিমু বেগমের মা শরিফা বেগম বলেন, শুধু মারধর আর ন্যাড়া করা নয়, প্রতিপক্ষ শাহারুল ইসলাম সরকার গংরা আমার মেয়েকে গরম ভাজনী (ফলা) ছ্যাঁকা দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে।

এ ঘটনার পর থেকে শিমু বেগম ও মিলন মিয়ার খোঁজ মিলছে না। এ নিয়ে থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহারুল ইসলাম সরকার গংদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের পাওয়া যায়নি। গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল হোসেন বলেন, ঘটনাটি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।