চট্টগ্রামের তথাকথিত এক সাংবাদিক নেতা বৈশ্বিক দুর্যোগের এই সময় গণজমায়েতের লঙ্গরখানা খুলতে চান

0

করোনা ভাইরাসের এ দুর্যোগে মানুষজন ঘরে অলস বসে বিরক্ত হচ্ছে, অনেকের মাথা শয়তানের কারখানা হয়ে যাচ্ছে। এ সময় এক কুপমন্ডুক এই সাংবাদিক নেতা নামধারীর জ্ঞানের বহর দেখে অবাক হতে হলো। চট্টগ্রামের প্রয়াত মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর উদাহরণ টেনে উদ্দেশ্যমূলক এই লেখাতে ইঙ্গিত করা হয়েছে চট্টগ্রামের সিনিয়র এক নেতা, যিনি সাবেক মন্ত্রী, তার চট্টগ্রাম শহরে একটা তারকা হোটেল হয়েছে, চটগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বিজ্ঞ মতামতকে গুরুত্ব সহকারে নেন। সে হিসেবে চট্টগ্রামের সিনিয়র নেতা রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। অর্বাচীন ওই পেশাজীবী নেতা খুবই হতাশ যে করোনায় এই সময়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ কেন জনগনের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন না। যেখানে সরকার প্রত্যেক দিন মানুষকে ঘরে থাকতে বলছে, দেশের সব সিনিয়র নেতারা ঘরে বসে খোঁজখবর নিচ্ছে, সারাবিশ্বের নেতারা ঘরে। এখানে মহান এই সাংবাদিক নেতার অজ্ঞতাবশত আবদার ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষের মাঝে সময় কাটাক। এত মোটা মাথা হয় কি করে? যেখানে মিডিয়া হাউজগুলো কর্মীদের ঘরে বসে কাজ করতে বলেছে, প্রশাসনিক কাঠামো অত্যন্ত নিরাপদ দুরত্বে থেকে কাজ করছে, রাজনৈতিক নেতারা কাজ করছে। সেখানে চট্টগ্রামের এমপি মেয়ররা নাকি জনগণের দুয়ারে দুয়ারে গিয়ে নাকি কাজ করছে না, কেন করোনা ভাইরাসকে ছড়িয়ে দিচ্ছে না এটা নিয়ে তার খুব আহাজারি কেন কাজ করছে না এটা নিয়ে তার খুব মনোকষ্ট। করোনা অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মত না, তার কথা মতো চটগ্রামের নেতারা ঘরে ঘরে করোনা ছড়িয়ে দিক।

সে এই সিনিয়র নেতাসহ অন্যনেতাদের ব্যক্তিগত আক্রমণ, পরিবারের সদস্যদেরসহ আক্রমন করে লিখেছে। চট্টগ্রাম শহরে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন প্রতিষ্ঠিত হোটেলটি (পেনিনসুলা)কে আইসোলেশন সেন্টার করতে। অজ্ঞ লোক এমন বলতে পারে। এই মূর্খ কিভাবে সাংবাদিকতা পেশাকে কলুষিত করছে দেখুন। এটা (পেনিনসুলা হোটেল) একটা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চাইলেও করার সুযোগ নেই। চট্টগ্রামে আরো তারকা হোটেল আছে যেগুলো পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি না, সে ওগুলোকে আইসোলেশন সেন্টার করার জন্য লিখতে পারলো না। এটাও শোনা যায় সে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে অবস্থিত এক তারকা হোটেলে দুপুরে খেয়ে সাংবাদিক নেতা পরিচয় দিয়ে বিল না দিয়ে চলে আসতে চেয়েছিল।

একজন সাংবাদিক ডাহা মিথ্যা বলা সাংবাদিকতার পবিত্রতাকে কলুষিত করার নামান্তর। সে একপর্যায়ে লিখেছে চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের সঙ্গে ওই সিনিয়র নেতার এর যোগাযোগ নাই! একজন নেতার সাংবাদিকদের সঙ্গে কি এমন যোগাযোগ থাকতে পারে (?) কেউ কোনদিন মোশাররফ সাহেবকে যোগাযোগ করতে চেয়ে পায় নাই শোনা যায় নাই।

যতদূর জানা যায়, সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এই নেতা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবকে কোটি টাকা দিয়ে কনফারেন্স রুম করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের ৯৬ এর সময়কালে চট্টগ্রামের দুজন সাংবাদিককে শেখ হাসিনার সঙ্গে আমেরিকায় সফরসঙ্গী করেছেন। ওই পেশাজীবী নেতা চট্টগ্রামের কোন ইস্যু উনার কাছে তুলে ধরেছেন? ডিসি হিল থেকে থেকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সেই সিনিয়র নেতা নাকি বন্ধ করে দিয়েছেন? সে তো ডিসি অফিসে অনেক ঘুরাঘুরি করে ডিসির কাছে আবেদন করেছে কখনো? কখনো নিউজ করছে? পেশাজীবী নেতা সেজে অনেক ধান্ধাফিকির করে এটা নিয়ে কোনদিন আন্দোলন করেছে? বস্তুত ডিসি হিলের আধুনিকায়ন হয়েছে এই নেতার মাধ্যমে।

সাংবাদিক কুয়োর ব্যাঙ হওয়া সমাজের জন্য লজ্জার। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে নিয়ে সমালোচনা করার মত হয়তো অনেক গঠনমূলক ইস্যু বের করা যায়। কিন্তু ব্যানারসর্বস্ব এই সাংবাদিক নেতার লেখা অন্ধের হাতে আয়না দেখার মত। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নাকি চট্টগ্রামের জন্য কিছু করেন নাই! যে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন সম্পর্কে জানে না মনগড়া যাচ্ছে তাই বলল একজন মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে! ১৯৭১ সালের মার্চে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে আগত পাকিস্তান হানাদার বাহিনীকে আটকানোর জন্য শুভপুর ব্রিজ ধ্বংস না করলে সেদিন চট্টগ্রাম শহর গণহত্যার নগরে পরিণত হত। তার এত আক্রোশ কেন একজন মুক্তিযোদ্ধা, সিনিয়র রাজনীতিবিদের উপর এটা নিয়ে জনমনে প্রশ্নের উদ্রেক হতে পারে। চট্টগ্রামে এম এ হান্নান (হযরত শাহ আমানত) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর নেতৃত্বে গড়া, গত ৫ বছরে যত উন্নয়ন হয়েছে চট্টগ্রামে তিনি গণপূর্তমন্ত্রী থাকাতে সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। চটগ্রামে কর্ণফুলী টানেল হচ্ছে, মিরসরাইতে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ইকোনমিক জোন হচ্ছে, ইকোনমিক জোন দিয়ে সারাবিশ্বের বিনিয়োগকারী আসছে। এটা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি উপস্থাপন করেন যার সুফল পুরো চট্টগ্রাম পাবে।

লেখাতে অহেতুকভাবে নির্জলা মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে লেবাসধারী এই কলম সন্ত্রাসী। লেখার শুরুতে লিখেছে ‘তরুণ’ মহিউদ্দিন চৌধুরী একদিন মিছিল করে ‘অগ্রজ’ ইঞ্জিন।

সাংবা‌দিক সে‌লি‌মের ওয়াল থে‌কে সংগৃ‌হীত


Warning: A non-numeric value encountered in /home/presvdfgsbd24/public_html/bangla/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 1009

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here