২০০১ সালে কারচুপির মধ্যেও ফজলে করিম এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন : গণপূর্তমন্ত্রী

0

ইলিয়াছ রিপন, চট্টগ্রাম ব্যুরো ::

এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর প্রশংসা করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ  বলেন, ‘নেতৃত্বের একটা গুণ থাকতে হয়। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে কারচুপির মধ্যেও এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন ফজলে করিম। তিনি এ পর্যনত্ম ৩ বার জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেছেন।’

আগামী সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাতটি আসন প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেওয়ার কথা জানিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ‘ভেদাভেদ ভুলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। নির্বাচনে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে হলে ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।’

গতকাল মঙ্গলবার নগরীর মুসলিম ইনস্টিটিউট হলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত এক সভায় একথা বলেন তিনি।

রাউজানের সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ‘প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার-২০১৭’ অর্জন করায় তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া উপলড়্গে এ সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ফজলে করিম চৌধুরী নগরীর সিআরবিতে হাঁটার পার্ক গড়ে তোলায় প্রশংসা করে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ বলেন, ‘ইচ্ছা ছিল বলেই তিনি সেখানে পার্ক করে দিয়েছেন। রাউজানকে সুন্দর করতে পেরেছেন।’
মন্ত্রী আরো বলেন,‘চট্টগ্রামবাসীর জন্য চমক আসছে’ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘চট্টগ্রামে সর্ববৃহৎ বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। নগরীর জিইসি মোড়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত কর্তৃপড়্গের জায়গায় ৫০ তলা বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেখানে অ্যাপার্টমেন্ট ও কমার্শিয়াল ভবন থাকবে।’
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরম্নল আলম চৌধুরী বলেন, ‘ফজলে করিম অত্যনত্ম পরিশ্রমী একজন নেতা। তিনি তার কাজের স্বীকৃতি পেয়েছেন।’
সভায় সংবর্ধিত এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমার এ অর্জন রাউজানের মানুষের। ৯৬ সালে রাজনীতিতে আসার পর গত ২২ বছর আমি রাউজানের পরিবর্তনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’
১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলড়্গে রাউজানে ১ লড়্গ মানুষের জন্য মেজবানের আয়োজন করা হবে বলে ঘোষণা দেন ফজলে করিম। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম বলেন, ‘ফজলে করিমের নেতৃত্বে রাউজানে নজিরবিহীন উন্নতি হয়েছে। বৃড়্গরোপণ ছিল তার শ্রেষ্ঠ উন্নয়ন।’

সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অধ্যাপক মাঈনুদ্দিন, কাজী আবদুল ওয়াহাব ও ফখরম্নদ্দীন চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক ইউনুস গণি চৌধুরী, আবুল কালাম ও গিয়াস উদ্দিন, কোষাধ্যড়্গ এহসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল প্রমুখ।


Warning: A non-numeric value encountered in /home/presvdfgsbd24/public_html/bangla/wp-content/themes/Newspaper/includes/wp_booster/td_block.php on line 1009

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here