
পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসকদের উপস্থিতি, রোগীদের ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ, বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বায়োমেডিকেল ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা ও খাবারের মান নিয়েও সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে প্রধানমন্ত্রী পাঠিয়েছেন, আমি খালি হাতে আসিনি।’ পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে আধুনিক ও সুসজ্জিত হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী জানান, বর্তমানে যেসব হাসপাতালে ৫০ শয্যার ব্যবস্থা রয়েছে, সেগুলোকে পর্যায়ক্রমে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন ১০১ শয্যার হাসপাতালও নির্মাণ করা হবে।
এর অংশ হিসেবে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার জন্য আগামী ১৫ দিনের মধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু করার কথা জানান তিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর প্রায় সাত লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা নির্ভরশীল। এ ছাড়া বাঁশখালী, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলার আরও প্রায় চার লাখ মানুষ বিভিন্ন সময়ে এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।
হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন এক হাজারের বেশি রোগী চিকিৎসা নেন। প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ১৫০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন।
মন্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা হাসপাতালেই সম্পন্ন করা, পর্যাপ্ত ওষুধ ও স্যালাইন সরবরাহ এবং রোগীদের খাবারের মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
পরিদর্শনের সময় পটিয়ার সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম হাসপাতালটি আধুনিক ও সুসজ্জিত করার বিষয়ে মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, পটিয়া একসময় মহকুমা ছিল; এখানকার স্বাস্থ্যসেবার পরিধিও বড়।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শেখ ফজলে রাব্বী বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আকস্মিকভাবে হাসপাতালটি পরিদর্শন করেন। এ সময় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
