আবদুল জব্বার উপজেলার দোছড়ি ইউনিয়নের পাইনছড়া এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় কাঠুরিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওইদিন সাত থেকে আটজন কাঠুরিয়া বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায় কাঠ কাটতে যান।
এ সময় নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে একটি স্থলমাইন বিস্ফোরিত হলে আবদুল জব্বার গুরুতর আহত হন।
বিস্ফোরণে তার বাঁ পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল বাতেন মৃধা জানান, আহত জব্বারকে প্রথমে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী জানান, পাইনছড়া এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে অন্তত ৬৩ জন হতাহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৪৮ জন পা হারিয়েছেন। অন্যদেরও বিভিন্ন অঙ্গহানি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে।
২০২৪ সালে ১০ জন এবং ২০২৫ সালে ১৮ জন হতাহত হয়েছেন।

