
শনিবার (১১ এপ্রিল) র্যাব-৭ এর এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সংস্থাটির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান।
গ্রেপ্তার রোহিঙ্গারা হলেন : সৈয়দ আলম, সুলতান আহমেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ কাসিম ও মোহাম্মদ ইসমাইল। অন্য চারজন হলেন- শাহ আলম, আজম উল্লাহ, মোহাম্মদ ফারুক ও সানাউল্লাহ। তারা দাবি করেছেন যে তাদের বাড়ি টেকনাফে।
সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৭ এর অধিনায়ক হাফিজুর রহমান বলেন, ‘মিয়ানমার সীমান্ত থেকে সাগর পথে চট্টগ্রামে একটি ইয়াবার চালান আসছে, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে এমন খবর পেয়ে র্যাবের একটি দল কর্ণফুলী নদীর ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় যায়। র্যাবের দলটি সেখানে অবস্থান করা একটি মাছ ধরার ট্রলারে তিনটি বস্তায় এসব ইয়াবা পায় এবং ট্রলারে থাকা নয়জনকে আটক করে।’
তিনি জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা কক্সবাজারের সীমান্ত এলাকা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট এনে চট্টগ্রামে বিক্রির একটি চক্রের সাথে জড়িত। জব্দ করা পাঁচ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেটের দাম আনুমানিক ১৫ কোটি টাকা।
